মেনু নির্বাচন করুন

ধান

দোয়াঁশ ও এঁটেল মাটি বীজতলার জন্য ভাল। বীজতলার জমি অনুর্বর হলে প্রতি বর্মমিটার জমিতে ২ ‌কেজি হারে অথবা প্রতি শতাংশ জমিতে ২ মণ পঁচা গোবর বা আবর্জনা সুন্দরভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে। এরপর জমিতে ৫-৬ সেন্টিমিটার পানি সেচ দিয়ে দু-তিনটি চাষ ও মই দিয়ে ৭ থেকে ১০ দিন রেখে দিতে হবে এবং পানি ভালভাবে আটকিয়ে রাখতে হবে। আগাছা, খড় ইত্যাদি পচে গেলে আবার চাষ ও মই দিয়ে থকথকে কাদাময় জমি তৈরি করতে হবে। শেষ জমি তৈরির সময় প্রতি শতকে ১০ গ্রাম ফুরাডান, ১৬০ গ্রাম টিএসপি এবং ২৮০ গ্রাম এমপি প্রয়োগ করতে হবে। এরপর ৩ মিটার লম্বা ও ১ মিটার চওড়া বেড তৈরি করতে হবে। বেডের উপরের মাটি বাঁশ বা কাঠের চ্যাপ্টা লাঠি দিয়ে সমান করতে হবে। দুটি বেডের মাঝখানে ২৫-৩০ সেন্টিমিটার নালা রাখতে হবে যা বীজতলায় পানি দিতে এবং প্রয়োজনে পানি নিস্কাশনে সহায়ক হয়। এক শতক (৪০ বর্গমিটার) পরিমাণ বীজতলায় ৩.৫-৪.০ কেজি বীজ বোনা দরকার। এরূপ ১ শতক বীজতলার চারা দিয়ে প্রায় ২ বিঘা জমি রোপণ করা যাবে। নভেম্বরের ৫ থেকে ২৫ তারিখের (২০ কার্তিক থেকে ১০ অগ্রহায়ণ) মধ্যে বীজ বপন করতে হবে।

 

বোরো মৌসুমে শীতের জন্য চারার বাড়-বাড়তি ব্যাহত হয়। এ কারণে রাতে বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখলে ঠান্ডাজনিত ক্ষতি থেকে চারা রক্ষা পায় এবং চারার বাড়-বাড়তি বৃদ্ধি পায়। বীজতলায় চারাগাছ হলদে হয়ে গেলে প্রতি বর্গমিটারে ৭ গ্রাম করে ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করলেই চলে। ইউরিয়া প্রয়োগের পর চারা সবুজ না হলে প্রতি বর্গমিটারে ১০ গ্রাম করে জিপসাম সার উপরি প্রয়োগ করা দরকার।


Share with :

Facebook Twitter